1. chatgaiyakhobor@gmail.com : দৈনিক চাটগাঁইয়া খবর : দৈনিক চাটগাঁইয়া খবর
  2. : lf_CPoqSMNtZMzM :
  3. pak1aDnW4WpQRz@gmail.com : pak1aDnW4WpQRz :
  4. info@chatgaiyakhobor.com : দৈনিক চাটগাঁইয়া খবর :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Kesfet Sweet Bonanza Slotunu Renkli slot turları ve bedava kazanç fırsatları Bethub ile Canlı bahis deneyimini artırmak isteyenler için doğru seçim 1King casino giriş olacaktır Canlı bahis deneyimini artırmak isteyenler için doğru seçim 1King casino giriş olacaktır 619455161788710450 ইসলামাবাদ আব্দুর রাজ্জাক হাজারা বেগম ফোরকানিয়া মাদ্রাসার আলোচনা সভা ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত দোহাজারীতে মরহুম হাজী ইউসুফ সওদাগর স্মৃতি ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে প্রায় ১ হাজার ফুট নিমার্ণ কাজের উদ্বোধন দোহাজারীতে ‘মরহুম হাজী ইউছুফ সওদাগর স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই হাজার মানুষ পেল বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ ওমানের ডাবুয়া প্রবাসী মানব কল্যাণ সমিতির মিলন মেলা বন্যা-পরবর্তী গোখাদ্য সংকটে অবোলা প্রাণীদের সহায়তায় ‘দোহাজারী ব্লাড ব্যাংক’

ফটিকছড়িতে প্রশাসনের ম্যরাথন অভিযানেও পাহাড়-টিলা ও ফসলি জমির উর্বর মাটি সাবাড়।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল আলম, ফটিকছড়ি :

টিলা-পাহাড় অধিকাংশ বন বিভাগের।
★অভিযানের তথ্য পাচারকারীকে কারাদণ্ড।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসের হিড়িক পড়েছে। মাটি চোরা কারবারীদের থাবা থেকে রেহাই  পাচ্ছে না বনাঞ্চলের পাহাড়-টিলা ও কৃষি জমির উর্বর মাটি। স্থানীয় প্রশাসনের ম্যরাথন অভিযান ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার পরও কোনো কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না মাটি খেকোদের দৌরাত্ম্য। এসব টিলা- পাহাড় অধিকাংশ বন বিভাগের হলে ও মাটি পাচার করার সময় বন বিভাগের রেঞ্জ বা বিট অফিসের কেউ এ যাবৎ এগিয়ে আসেনি।মাটি পাচারের খবর পেয়ে প্রশাসন পৌঁছানোর আগে পাচারকারীরা এস্কেভেটর ও ড্রাম ট্রাক নিয়ে উধাও। তারা যেন অলৌকিক ক্ষমতাধারী। তাদের এ অলৌকিক কাণ্ডের মূল হোতা দিদারুল আলম(৩০)অবশেষে প্রশাসনের জালে আটকা পড়লো। ভারাটে এ দিদার প্রশাসনের গতিবিধি দেখে পাচারকারীদের তথ্য সরবরাহ করতো। অবশেষে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

জানা যায়,উপজেলার বাগান বাজার, দাঁতমারা,নারায়ণহাট,ভূজপুর পাইন্দং, হারুয়ালছড়ি,সুয়াবিল,লেলাং,খিরাম ও কাঞ্চন নগর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে সর্বদলীয় একাধিক সিন্ডিকেট । রাজনৈতিক দল ও পদবীকে পুঁজি করে গড়ে উঠা মাটি খেকোরা  বেপরোয়া হয়ে উঠছে দিনদিন। তারা দিনে ঘুমান,সন্ধ্যা নামলেই কাটেন পাহাড়,টিলা ও কৃষি জমির টপ সয়েল। যার কারণে হুমকিতে পড়ছে ফসল উৎপাদন। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা রোধে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। তবে কৌশল বদলে দিনের বেলার পরিবর্তে রাতে কাটা হচ্ছে মাটি। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফসলি জমি ও টিলা থেকে মাটি কাটছেন অন্তত অর্ধশতাধিক সিন্ডিকেট। মাটিদস্যুরা কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া ভাবে এক্সকেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ডাম্প ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে ইটভাটা,পুকুর, ডোবা ও নতুন বাড়ির জায়গায় মাটি ভরাট করছে। মাটি কাটায় নিয়োজিত ডাম্প ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান থেকে মাটি পড়ে সড়কের ধূলিময় সড়কে চলাচলে মানুষজনকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আর বৃষ্টি পড়লে এসব পাকা সড়কে ঘটবে দূর্ঘটনা।
আরো জানা যায়,মাটি পাচারকারীরা গ্রামীণ সড়ক গুলো ব্যবহার করায় ভারী যাববাহনের কারনে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যাচ্ছে এসব সড়ক। সড়কের পাশে বসত বাড়ীর মানুষ মাটি ভর্তি গাড়ীর শব্দে ঘুমাতে পারছেনা।
সরেজমিনে গত কয়েক দিন উপজেলার উল্লেখিত ইউনিয়নের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখা মেলে পরিবেশ ধ্বংসের এমন ভয়াবহতায় চিত্র।
অনুসন্ধ্যানে জানা যায়,পাইন্দংয়ের ফকিরাচাঁন আমতল এলাকায় রাতের আঁধারে কয়েকটি স্কেভেটর দিয়ে কাটা হচ্ছে কৃষিজমির মাটি। ভূজপুর ইউনিয়নের আন্ধারমানিক গলাচিপা এলাকায় স্থানীয় ৪/৫ জনের একটি সিন্ডিকেট রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে কেটে নেওয়া হয়েছে বিশালাকার টিলা। এসব মাটি ডাম্প ট্রাকে পরিবহন করে যাচ্ছে কাজীরহাট বাজারের একাধিক কৃষি জমি ভরাট কাজে। একই কায়দায় হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের আপন বিক্সস ফিল্ড সংলগ্ন,বাংলাবাজার সরকার বাড়ি এলাকায় কাটা হয়েছে টিলা। একইভাবে ভূজপুর ইউনিয়নের আছিয়া চা বাগান সংলগ্ন মা আমেনা লেয়ার ফার্মের পাশে এক ব্যক্তির মুরগীর ফার্ম তৈরির জন্য কাটা হয়েছে বিশালাকার টিলা। একই দৃশ্য বাগানবাজার ইউনিয়নের লালমাই এলাকায়। যেখানে ভবন নির্মাণের জন্য দিন দুপুরে কাটা হচ্ছে উচুঁ পাহাড়-টিলা। লালমাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থানীয় ফেলুডার সাহায্যে কেটে সাবাড় করা হয়েছে। মাটি কাটার বিষয়টি স্বীকার করে জনৈক মাহবুব বলেন, ‘আমরা যাদেরকে দিয়ে মাটি কাটিয়েছি তারা প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছে বলে আমাদের জানিয়েছে। তবে যাদেরকে দিয়ে মাটি কর্তন করেছে তাদের নাম বলতে পারেননি সে। একই ইউনিয়নের বাগমারা এলাকায় মাহবুবুল হকের বসত টিলা ও গার্ডের দোকানে নবী মাস্টারের টিলা।
একই এলাকায় কাটা হচ্ছে কৃষি জমি। এতে স্থানীয়রা বাঁধা দিলে তাদেরকে দেওয়া হয় নানা হুমকি ধমকি।
অপরদিকে সড়কের পাশে কৃষি জমি ভরাট করে যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠছে বসত ঘর ও দোকান। পানি নিষ্কাসনের নেই কোন ব্যবস্থা। ফলে পানি প্রবাহে বাধা পড়ে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে নষ্ট হবে পাশের কৃষি জমি ঘটবে এ সমস্যায় আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে আগামীতে।
চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের রিসার্স অফিসার মোঃ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘কর্তনকৃত এসব স্থান পরিদর্শন করে শীঘ্রই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন,মাটি কাটার সংবাদ পেলে যত রাতই হোক অভিযানে পরিচালনা করছি। টিলা-পাহাড় ও কৃষি জমির টপসয়েল কাটা আমলযোগ্য অপরাধ।
তিনি আরো বলেন,দিন-রাত চলছে অভিযান। অভিযানের সময় ঘটনা স্থলে যাবার আগে পাচারকারীরা সরঞ্জাম নিয়ে পালাতো। পানালোর কারন খুঁজতে গিয়ে অভিযানের গতিবিধি দেখে পাচারকারীদের নিকট তথ্য সরবরাহকারীকে অবশেষে উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে আটক করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,পুলিশ প্রশাসন চাইলে স্বপ্রণোদিত ব্যবস্থা নিতে পাারেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট